Top Ad unit 728 × 90

আপনার বিজ্ঞাপনটি দিতে ইমেইল করুন - worldhindutimesbd@gmail.com

শিরোনাম

{getPosts} $results={6} $label={recent}

যশোরে ৩০০ বছরের ‘ব্রহ্মময়ী কালী মন্দির’ ধ্বংসের মুখে, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হারাচ্ছে ঐতিহ্য

 

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর:
যশোরের কেশবপুর উপজেলার চালিতা বাড়িয়া শ্রীরামপুর গ্রামে অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ‘ব্রহ্মময়ী কালী মন্দির’ বর্তমানে বিলুপ্তির পথে। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যশৈলীর এই অনন্য নিদর্শনটি ধীরে ধীরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লাল ইটের তৈরি প্রাচীন এই মন্দিরটি একসময় এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্র ছিল। একাধিক খিলানযুক্ত প্রবেশপথ ও মজবুত দেয়ালের মাধ্যমে নির্মাণশৈলীর দৃঢ়তা আজও স্পষ্ট। তবে দীর্ঘদিনের অবহেলায় এখন এর অবস্থা অত্যন্ত নাজুক।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, মন্দিরের ছাদ ও দেয়ালজুড়ে জন্মেছে বিভিন্ন পরগাছা এবং বড় গাছের শিকড়। দেয়ালের ইট খসে পড়ছে, ভেতরের কাঠামো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের ধসের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। একসময়ের পূজা-পার্বণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ এখন শুধুই স্মৃতিতে সীমাবদ্ধ।

 

গ্রামের ৮৫ বছর বয়সী প্রবীণ বাসিন্দা সুবোল সর বলেন, “ছোটবেলায় এই মন্দিরে প্রচুর মানুষ আসত, নানা উৎসব হতো। এখন মন্দিরটির এই অবস্থা দেখে খুব কষ্ট লাগে। সরকার একটু নজর দিলে এটি রক্ষা পেতে পারে।”

 

মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শম্ভু দেবনাথ জানান, দীর্ঘদিনের অবহেলায় মন্দিরটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। “এটি আমাদের পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া অমূল্য ঐতিহ্য। স্থানীয়ভাবে আমরা কিছু উদ্যোগ নিলেও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে বড় ধরনের সংস্কার সম্ভব হচ্ছে না,” বলেন তিনি।

 

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, বিশেষ করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ নিলে মন্দিরটি সংরক্ষণ করা সম্ভব এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানে রূপ নিতে পারে।

 

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সংস্কার ও সংরক্ষণ কার্যক্রম শুরু না হলে ইতিহাসের একটি মূল্যবান অংশ চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।

No comments:

অননুমোদিতভাবে কোনও বিষয়বস্তু অনুলিপি করা বা ব্যবহার করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ World Hindu Times All Right Reseved |

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by i-bob. Powered by Blogger.